নর্গঠন করুন ও পুনরুদ্ধার করুন আমাদের কণ্ঠস্বর ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য — আমরা বিশ্বাস করি, সচেতনতা, ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্ব সমাজে প্রকৃত উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করে। তাই চলুন আমরা আমাদের শক্তি, মতামত ও মূল্যবোধকে নতুনভাবে সাজিয়ে আবারও দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করি সত্য, ন্যায় ও অগ্রগতির বার্তা। একসাথে পথ চললে পরিবর্তন সম্ভব, আর সেই পরিবর্তনই তৈরি করবে একটি সমৃদ্ধ, স্বচ্ছ ও মানবিক ভবিষ্যৎ।
User 1

সর্বশেষ সংবাদ

পদ্মা ব্যারেজ ও ২য় পদ্মা ব্রিজ,রাজবাড়ী জেলা কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পদ্মা ব্যারেজ ও ২য় পদ্মা ব্রিজ,রাজবাড়ী জেলা কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আজ ১৫ নভেম্বর ২০২৫, শনিবার সকাল ১১টায় রাজবাড়ী পৌর মিলেনিয়াম মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত অস্থায়ী কার্যালয়ে রাজবাড়ী জেলার দ্বিতীয় পদ্মা ব্রিজ ও ব্যারেজ বাস্তবায়ন কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সূচনা করেন জেলা কমিটির সভাপতি সালাম তাসির

এ আয়োজনের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল আগামী ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সেমিনারের প্রস্তুতি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি এবং জাতীয় পর্যায়ে পদ্মা ব্রিজ ও ব্যারেজ বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সভাপতি জননেতা আলী নেওয়াজ মোঃ খৈয়াম। তিনি আসন্ন সেমিনারকে সফল করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা, প্রাসঙ্গিক বাস্তব চিত্র এবং নানা গুরুত্ববহ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী আহসানুল করিম হিটু

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—

  • সাংস্কৃতির জন ও আবোল তাবোল শিশু সংগঠনের সভাপতি অ্যাড. দেবাহুতি চক্রবর্তী

  • জেলা নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক আকরাম হোসেন

  • সাংগঠনিক সম্পাদক এস এস কে আব্দুর রউফ হিটু

  • প্রচার সম্পাদক, কবি খোকন মাহমুদ

  • জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী আব্দুল কুদ্দুস বাবু

  • সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম হিরন

  • রাজবাড়ী জেলা জাসাসের সদস্য সচিব কাজী পলাশ

  • নির্বাহী কমিটির সদস্য ও দৈনিক রাজবাড়ী সময় নিউজ পোর্টালের উপদেষ্টা সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান

  • সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আক্কাস আলী

  • কমিটির সদস্য সৈয়দ ইকবাল
    এ ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এক গবেষণা তথ্য অনুযায়ী, গত পঞ্চাশ বছরে ফারাক্কার বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশে ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয়েছে। এই ধরণের ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে দ্বিতীয় পদ্মা ব্রিজ ও ব্যারেজ নির্মাণ এখন জরুরি ও অনিবার্য। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২৬টি জেলার প্রায় ছয় কোটি মানুষের স্বার্থ রক্ষা পাবে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সবার মত।

সভার বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই উদ্যোগ সফল হলে ফারাক্কার ক্ষতিকর প্রভাবমুক্ত উন্নত, আলোয় ভরা এবং সমৃদ্ধ রাজবাড়ী গঠনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জেলার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে লক্ষ্য পূরণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।