নর্গঠন করুন ও পুনরুদ্ধার করুন আমাদের কণ্ঠস্বর ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য — আমরা বিশ্বাস করি, সচেতনতা, ঐক্য ও সঠিক নেতৃত্ব সমাজে প্রকৃত উন্নয়নের ভিত্তি তৈরি করে। তাই চলুন আমরা আমাদের শক্তি, মতামত ও মূল্যবোধকে নতুনভাবে সাজিয়ে আবারও দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করি সত্য, ন্যায় ও অগ্রগতির বার্তা। একসাথে পথ চললে পরিবর্তন সম্ভব, আর সেই পরিবর্তনই তৈরি করবে একটি সমৃদ্ধ, স্বচ্ছ ও মানবিক ভবিষ্যৎ।
User 1

ক্যাম্পেইন খবর ব্লগ

ক্যাম্পেইন খবর থেকে অন্তর্দৃষ্টি, আপডেট ও খবর

রাজবাড়ী জেলার স্থানীয় উন্নয়ন ভাবনা
ক্যাম্পেইন খবর
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬
কর্তৃপক্ষ

রাজবাড়ী জেলার স্থানীয় উন্নয়ন ভাবনা

রাজবাড়ী জেলার স্থানীয় উন্নয়ন ভাবনা

পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ: বদলে যাবে রাজবাড়ীসহ ২৬টি জেলার কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থানসহ সকল ক্ষেত্র।

২য় পদ্মা সেতু নির্মাণ: রেলসহ রাজধানী ঢাকার সাথে যোগাযোগ, গ্যাস সরবরাহ, শিল্প-বাণিজ্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি, আবাসন, পর্যটন, কর্মসংস্থানসহ ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভব হবে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়: রাজবাড়ীসহ আশেপাশের জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার অবারিত সুযোগ সৃষ্টি হবে। জানের আলোয় আলেকিত হবে রাজবাড়ী।

আধুনিক নৌ বন্দর: ব্যবসা বাণিজ্য শিল্প কলকারখানায় গতি বৃদ্ধি পাবে ফলে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

রেলওয়ে আধুনিক ওয়ার্কসপ: উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের বিকাশ ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। রেলের শহর হিসেবে রাজবাড়ী পরিচিতি হবে বাংলাদেশে।

ক্যান্টনমেন্ট নির্মাণ: জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাজবাড়ী জেলার শহরায়ন, নিরাপত্তা ও সামগ্রিক উন্নয়ন গতিশীল হবে।

হাসপাতাল আধুনিকায়ন: মেডিকেল কলেজে রূপান্তরিত করে স্বাস্থ্যসেবার সকল সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে এই জেলার মানুষের আধুনিক ও উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে।

শিক্ষা: কারিগরি শিক্ষা, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষা উন্নয়ন ও সমকালীন বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রেখে ICT, স্মার্ট ক্লাসরুম হাইস্পিড ইন্টারনেট, ই-লাইব্রেরী, শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রশিক্ষন, অনলাইন শিক্ষার সুযোগ, কোচিং, প্রোগ্রামিং, AI এর মাধ্যমে সর্বস্তরে শিক্ষার মান নিশ্চিত করা।

কৃষি উন্নয়ন: এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকায় আসবে প্রাণের স্পন্দন। রাজবাড়ী হবে সোনালী ফসলের ভান্ডার, গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক এলাকা। কৃষি উৎপাদনে সার, বীজ, কীটনাশক, সেচসহ সকল ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদনে ব্যাপক উৎকর্ষ সাধান করা হবে।

শিল্প কারখানা স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণ: নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন ও ব্যবসা সম্প্রসারণে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করা হবে। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা হবে। শিল্প ও ব্যবসা সম্প্রসারণে বিদেশী পার্টনারশীপ গড়ে তোলা হবে। ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। সর্বোপরি বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে রাজবাড়ীর যুব সমাজ।

ক্ষুদ্র শিল্প ও হস্ত শিল্পের বিকাশ: এর ফলে গ্রাম অঞ্চলে নারী পুরুষের অর্থনৈতিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি হবে ও জীবনযাত্রার মান
উন্নয়ন ও প্রতি পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা আসবে।

রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট ও হাট বাজারের উন্নয়ন: অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশেষত রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট ও হাট বাজারের উন্নয়ন করা হবে। ফলে অর্থনৈতিক গতি বৃদ্ধি পাবে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন: ধর্মীয় মূল্যবোধ সৃষ্টি, অসাম্প্রাদায়িক রাজবাড়ী ও ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে।

ক্রীড়া ও সংস্কৃতি: ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে একটি কাউন্সিল গঠন করা হবে। সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অডিটোরিয়াম, স্টেডিয়াম, জিমনেশিয়াম, সুইমিংপুলসহ ক্রীড়া ও সংস্কৃতির সকল ক্ষেত্রে উল্ল্যেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া হবে।

নদী ভাঙ্গন রোধ: নদী ভাঙ্গন রোধে বিজ্ঞানসম্মত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

চর অঞ্চলের উন্নয়ন: চর অঞ্চলের রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা উন্নয়ন সাধিত করে মানুষের জীবনযাত্রার মান, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা বিধান করা হবে।

সমবায় ভিত্তিতে উন্নয়ন: মানুষের মধ্যে ঐক্য, একতা, সম্প্রীতি, উন্নয়নের মনোভাব তৈরী হবে ফলে দারিদ্রতা দূর হবে, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসবে।

স্থানীয় সরকার: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় আধুনিকিকরণে প্রয়োজনীয় সহায়তা সেল গঠন করা হবে। ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নাগরিক সকল সেবা প্রদানের বিষয়ে নিশ্চিত করা হবে।

নগর উন্নয়ন: রাজবাড়ী-গোয়ালন্দসহ প্রধান প্রধান শহরের আধুনিকিকরণ, পরিকল্পিত আবাসন সৃষ্টির মাধ্যমে (স্মার্টসিটি) মানুষের জীবনযাত্রার মানের ব্যাপক উন্নয়ন হবে, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, পর্যটনশিল্প বিকাশ হবে।

মাদক ও চাঁদাবাজী নির্মূল এবং নিরাপদনরাজবাড়ী: সামাজিক অবক্ষয় রোধ কল্পে মাদক, চাদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স গ্রহন করা হবে। যুব সমাজ ধংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে, চাঁদাবাজ মুক্ত নিরাপদ সম্প্রীতির রাজবাড়ী গড়ে উঠবে।

নারী ও শিশু উন্নয়ন কর্মসূচি: সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদানে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। অসহায়, দরিদ্র নারী, শিশু ও তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের সুরক্ষায় নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবন্ধী তহবিল: কাউকে পিছিয়ে না রাখা অর্থাৎ মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সবাইকে সম্পৃক্ত করা।

প্রবীণদের জন্য আধুনিক বৃদ্ধাশ্রম: জেলার অসহায় অবহেলিত প্রবীণদের জন্য একটি আধুনিক বিন্ধাশ্রম গড়ে তোলা। একজন প্রবীণও যেনো অসহায় অবস্থায় না থাকে।

দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন: মেধাবিকাশ ও উচ্চ শিক্ষার জন্য স্থানীয় ভিত্তিতে তহবিল গঠন করা হবে। এটি একটি কাউন্সিলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

বিদেশ গমনেচ্ছুকদের জন্য বিশেষ সেবা: দক্ষ জনগোষ্ঠী, মানব সম্পদ তৈরী করে কর্মসংস্থানের জন্য দালালমুক্ত ও হয়রানি মুক্ত ভাবে বিদেশে প্রেরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা।

আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্য সহায়তা: আদিবাসীদের নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতায় সহয়তা করা।

সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্য: জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সামাজিক ঐক্য গড়ে তুলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক শান্তিময় জনপদ গড়ে তোলা হবে।

ঢাকায় রাজবাড়ী জেলা উন্নয়ন সাপোর্ট ফোরাম: এই ফোরামে বর্তমানে কর্মরত ও সাবেক কর্মকর্তা ও নানা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজবাড়ী উন্নয়ন ভাবনার সাথে সম্পৃক্ত করা হবে।

প্রবাসী রাজবাড়ী ফোরাম: বিদেশে অবস্থানরত রাজবাড়ীর সন্তান, কর্মজীবী, ছাত্র, গবেষক, বিজ্ঞানী তাদের মধ্য হতে প্রজ্ঞাবানদের নিয়ে একটি ফোরাম গঠন করা হবে। যারা আমাদের ছাত্র-ছাত্রী ও তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে বিদেশে থেকেই সহযোগিতা করবে। এ ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তি, চাকুরী, গবেষণা ও সমকালীন বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও উন্নত শিক্ষার ক্ষেত্রে গঠিত ফোরামের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হবে।

রাজবাড়ী সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল (RSDC): রাজবাড়ী উন্নয়নে গৃহীত প্রকল্পসমূহ যাচাই-বাছাই করে

বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সকল অংশের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কাউন্সিল গঠন করা হবে। এই কাউন্সিলের নাম হবে 'রাজবাড়ী সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল'। এই RSDC অধীনে অনেকগুলো বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠিত হবে। এই সকল কমিটি সামগ্রিক উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ ও তদারকি করবে।